ইরান যুদ্ধের ব্যয় ও ক্ষয়ক্ষতি সংক্রান্ত অতি গোপনীয় তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর। সম্প্রতি মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রভাবশালী সিনেটর ক্রিস মারফি এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক নীতি এবং এর প্রকৃত ফলাফল সম্পর্কে আমেরিকান জনগণকে অন্ধকারে রাখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ওই বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিনেটর ক্রিস মারফি আরও জানান যে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো স্বচক্ষে পরিদর্শনের জন্য তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি চেয়েগিয়েছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত সুকৌশলে তার সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্রের প্রকৃত পরিস্থিতি এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র জনসমক্ষে আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে যেমন নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি, তেমনি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মার্কিন কংগ্রেসেও তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা যুদ্ধের বাজেট এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব প্রকাশের জন্য হোয়াইট হাউসের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক