ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা শুরুর সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) ফ্লোরিডার পশ্চিম পাম বিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেসব অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইরানের ভূখণ্ডে পড়েছিল, সেগুলোকে তেহরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করছে ইরানি গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকরা। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত
ভারতের উত্তরপ্রদেশে বেরিল্লিতে মসজিদের এক ইমামকে ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তিনি বিহারের বাসিন্দা। গত ২৭ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটে। প্রথমে পুলিশ ধারণা করেছিল, ট্রেন থেকে পড়ে
দখলদার ইসরায়েলের সেনাদের বিরুদ্ধে ড্রোনে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এতে করে অপ্রত্যাশিত ও আকস্মিক হামলার মুখে পড়ছে দখলদারদের সেনারা। ড্রোন প্রযুক্তিতে পরিবর্তন আনার বিষয়টি এখন
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘কঠোরভাবে লক্ষ্যবস্তু’ করার পরিকল্পনার কথা সৌদি আরব ও ওমানকে জানিয়েছিল তেহরান। আবুধাবির সঙ্গে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর দূরত্ব তৈরির স্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে ইরান
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সংশোধিত একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। গত বৃহস্পতিবার মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে মার্কিনিদের কাছে প্রস্তাবটি পৌঁছে দেয় তেহরান। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজ শনিবার (২
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালিতে নিজের নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভির এক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশের ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান। সিএনএন এর এক অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে
গত সপ্তাহে মুম্বাইয়ে একটি পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়। সে সময় জানা যায় তরমুজ খাওয়ার কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। এরপরেই জনপ্রিয় গ্রীষ্মকালীন এই ফল কেনা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। এমনকি
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোরালো বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধে মধ্যেপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলার বিষয়ে তার অস্বীকার এবং অতিরিক্ত বাগাড়ম্বর