পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ তথা পিপিপি পদ্ধতিতে দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে দ্রুতই টারশিয়ারি লেভেলের আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত। স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে স্বাস্থ্য খাতের চরম দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
বিশেষ করে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি হাসপাতালগুলোকে পিপিপি কাঠামোর আওতায় এনে সেবার মান আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণমাধ্যমকে জানান, এই ৫টি হাসপাতালে খুব শীঘ্রই বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা চালু হবে, যার ফলে রোগীদের আর রাজধানীমুখী হওয়ার প্রবণতা অনেকাংশেই কমে যাবে। চিকিৎসকদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের টারশিয়ারি স্বাস্থ্যসেবার ওপর থেকে অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই হ্রাস পাবে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরাও উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য যে, অতীতে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে হরিলুট ও নানা অনিয়মের চিত্র গণমাধ্যমে উঠে এসেছিল, যার পেছনে কার্যতঃ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিনির্ধারকদের সরাসরি দায় ছিল। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দেশের স্বাস্থ্য খাতকে পুনর্গঠন করতে বদ্ধপরিকর। খুব দ্রুতই পিপিপির অধীনে থাকা এই পাঁচ হাসপাতালের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে এই চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো গড়ে তুলতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক