যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল কংগ্রেসে আসন হারালে তাঁর নীতিনির্ধারণী ক্ষমতা কিছুটা সীমিত হতে পারে। এতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানির বাজারে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে, তা এশিয়া তথা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। মার্কিন প্রশাসনের একক সিদ্ধান্তের পরিধি কমলে এশীয় দেশগুলো নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় আরও বেশি স্বাধীনতা পেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মার্কিন নীতির পরিবর্তনের প্রভাব কেবল কূটনীতিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আঞ্চলিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিও নির্ধারণ করে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মার্কিন প্রভাবের অপব্যবহার করে দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতিতে একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়েছিল। বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গতিশীলতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতিগুলো মার্কিন নীতির সম্ভাব্য পরিবর্তনের সুফল ঘরে তুলতে এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এখন এ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রধান অগ্রাধিকার।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক