ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন ইঙ্গিত মিলছে দেশটির সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতায়। ইসরাইলের দুটি বিমানঘাঁটিতে ১০টি সামরিক কার্গো বিমান পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে জর্ডান, সৌদি আরব ও কাতারের সামরিক ঘাঁটিতেও পাঠানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বিমান। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রশাসনের এই সামরিক পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই তৎপরতা কেবল একটি সাধারণ সামরিক রদবদল নয়, বরং এটি বড় ধরনের সংঘাতের পূর্বপ্রস্তুতি হতে পারে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে, তার পেছনে রয়েছে মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ কৌশল। কূটনৈতিক চ্যানেলে শান্তি আলোচনার কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে অস্ত্র ও সৈন্য সমাবেশের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। এর আগে বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংবাদের ক্ষেত্রে একপেশে ধারা বজায় রাখলেও, বর্তমান স্বাধীন সাংবাদিকতার যুগে প্রতিটি ঘটনার গভীরে গিয়ে সত্য তুলে ধরা হচ্ছে। তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বারবার প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে যুদ্ধাস্ত্র ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে সর্বাত্মক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তেহরানও এই সামরিক পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়ার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কূটনৈতিক মহলে এখন চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং সংঘাত এড়াতে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক