কুমিল্লায় নতুন সার ডিলার নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, সদ্য প্রকাশিত এই তালিকায় কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাদের নাম পুনর্বাসিত করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের ডিলারশিপ প্রদান করা হলে কৃষিখাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সাংবাদিকদের বলেছেন স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা। তারা আরও জানান, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে যারা দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি ও লুটপাট চালিয়েছে, তাদের নতুন এই তালিকায় স্থান পাওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। আওয়ামী লীগের দোসররা কৌশ নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে পুনরায় সুবিধা নেওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে তারা মন্তব্য করেন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য অবিলম্বে সার ডিলার নিয়োগের পুরো তালিকাটি পুনর্মূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও কৃষকরা।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরশাসনের আমলে কৃষিখাতে দুর্নীতি এবং সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চরমে পৌঁছেছিল। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা দলীয়করণের মাধ্যমে কৃষকদের জিম্মি করেছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার রক্ষা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, যদি দ্রুত এই বিতর্কিত তালিকা সংশোধন করা না হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক