শীর্ষ নেতারা আটক হওয়ার পর আন্দোলন যাতে স্তিমিত হয়ে না পড়ে, সেজন্য আগেই বিকল্প পরিকল্পনা করে রেখেছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আটকের আগেই দলটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা আটক বা গ্রেপ্তার হলে এই আন্দোলনের মূল নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্ক শিন্দে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বর্তমানে মাঠের আন্দোলন সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন দ্বিতীয় সারির নেতারা।
দিল্লি কেন্দ্রিক এই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মুখে পড়েন দলটির শীর্ষস্থানীয়রা। তবে আন্দোলন দমনের কৌশল হিসেবে নেতাদের আটক করা হলেও মাঠের নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে নানা ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দলটি। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই আন্দোলনের প্রভাব নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও নানা মত প্রকাশ করছেন।
এদিকে গ্রেফতার এড়াতে এবং আন্দোলনকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে দ্বিতীয় সারির নেতৃত্বকে আরও সুসংগঠিত করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যেও এ নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক