ভোলার লালমোহনে একটি ভাড়া বাসা থেকে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ নামের আটত্রিশ বছর বয়সী এক মাদরাসা শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের মাঝে।
ঘটনার পর নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী নাহিদা পারভীন প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে গা-ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি সেখানে উপস্থিত হন। তবে তার এই রহস্যজনক আচরণ নিয়ে নিহতের পরিবারের মনে গভীর সন্দেহের দানা বেঁধেছে।
নিহতের পরিবারের জোরালো অভিযোগ, আবদুল্লাহ আল মাহমুদকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে এবং ঘটনার পেছনের আসল রহস্য উদঘাটনে জোরদার তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক