ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক বিমানে সহ-পাইলটের ওপর হামলার চাঞ্চল্যকর ঘটনার জেরে চরম নিরাপত্তাব্যবস্থা ও গোয়েন্দা ত্রুটির কারণে ইসরাইলে রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ। এই আকস্মিক ঘটনার পর থেকেই দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিরোধী দলীয় নেতারা সরকারের এই চরম উদাসীনতা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভঙ্গুর দশা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় বিমানটির ভেতরে এমন একটি অভাবনীয় নিরাপত্তাহীনতার ঘটনা ঘটায় বিমান চলাচলের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ইসরাইলি নাগরিকদের আকাশপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা কতটা জোরালো, তা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যেও। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার এই সময়ে এমন ঘটনা নেতানিয়াহু প্রশাসনের ওপর বাড়তি রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বর্তমান প্রশাসন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনার ফলে আগামী দিনে নেতানিয়াহু সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে। বিরোধী দলগুলো এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরকারের পদত্যাগের দাবি জোরালো করার পরিকল্পনা করছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির পাশাপাশি বিমান পরিবহন খাতের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক