বাগেরহাটের মোল্লাহাটে মুসলিমা নামের সাত বছরের এক শিশুকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় গভীর শোক ও তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল দ্রুত এই পৈশাচিক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিহত শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলের দিকে বাড়ির পাশের একটি স্থান থেকে শিশু মুসলিমা হঠাৎ নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে সন্ধ্যার ঠিক পরপরই স্থানীয় লোকজন কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি মাছের ঘেরের পাড়ে একটি প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। সন্দেহ হলে বস্তাটি খুলে ভেতরে শিশুটির গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়।
খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের গলার অংশে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কী কারণে এবং কারা এই শিশুটিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তা উদঘাটনে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক