প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফর সম্পন্ন করেছেন। সরকার গঠনের পর এটি ছিল তার প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর, যা নিয়ে দেশজুড়ে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। এসব বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। তার এই গতিশীল কূটনীতি দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বমঞ্চে আরও উজ্জ্বল করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সফরে দেশের জন্য নতুন বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। সফর শেষে দেশের অর্জন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানান দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বর্তমান সরকারের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ দেশের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। পাশাপাশি, কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ তাদের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলোর ফ্যাসিবাদী আমলের দুর্নীতি ও লুটপাটের তথ্য আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরা হয়, যা দেশের বর্তমান অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক