নতুন টুর্নামেন্ট, নতুন মঞ্চ। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী মালয়েশিয়া। জাকার্তার বিশাল গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে শুক্রবার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের ফিফা আসিয়ান কাপ অভিযান। ৪৪ বছর আগে যে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ, আজও সেই একই রোমাঞ্চ ও প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নামছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বর্তমান সময়ের আন্তর্জাতিক ফুটবলের আধুনিক প্রেক্ষাপটে এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি এবং কৌশলগত অনুশীলন শেষে আজ নিজেদের সেরাটা উজার করে দিতে প্রস্তুত পুরো দল।
ফুটবল বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মালয়েশিয়ার বিপক্ষে এই লড়াইয়ে জয় তুলে নেওয়া সহজ হবে না। তবে দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা আত্মবিশ্বাসী যে তারা অতীতে শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে অর্জিত অনুপ্রেরণাকে পুঁজি করে মাঠে লড়াই করবে। তৎকালীন সময়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছিল, আজকের প্রজন্ম সেই গৌরব ফিরিয়ে আনতে উন্মুখ হয়ে আছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই ধরনের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
ম্যাচটি ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাব ও সাধারণ দর্শক বড় পর্দায় খেলা উপভোগ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। খেলোয়াড়রা জানিয়েছেন, তারা মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য প্রদর্শন করবেন এবং দেশের মান উজ্জ্বল করতে বদ্ধপরিকর। ম্যাচ শেষে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক গণমাধ্যমকে জানান যে, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী হলেও তাদের হারানোর মতো কৌশল তাদের রয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক