লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোহাম্মদ ফাহাদ হোসেন নামের এক ১১ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এলাকাববাসীর মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সামান্য অবহেলা ডেঙ্গু রোগীর জন্য কতটা মারাত্মক হতে পারে, এই ঘটনা তারই এক করুণ উদাহরণ।
জানা গেছে, মো. ফাহাদ হোসেন উপজেলার শেফালীপাড়া গ্রামের ওসমান পাটওয়ারীর ছেলে। শিশু ফাহাদের অকাল প্রয়াণে তার পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
ফাহাদের বাবা গণমাধ্যমকে জানান, ফাহাদ জ্বরে আক্রান্ত হলে প্রথমে তাকে বাড়িতে রেখেই স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এর আগেই ডেঙ্গুর ভয়াবহতা তার জীবন কেড়ে নেয়। চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই সচেতন হওয়া এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কেবল চিকিৎসালয় নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ রোধে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। ফাহাদের এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিবারের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সামূহিক সচেতনতার বিষয়টি আবারও জোরালোভাবে সামনে চলে এসেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক