জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর পর এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের পরিবহন, পণ্য সরবরাহ ও শিল্প খাতে। এরই মধ্যে পরিবহন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সামগ্রিক বাজারে এক ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের ভুল অর্থনৈতিক নীতির কারণে জ্বালানি খাতের এই দুরবস্থা তৈরি হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক নেতারা।
নতুন নির্ধারিত দামে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি রয়েছে। বিশেষ করে কেরোসিনের দাম ভারতের বাজারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ এবং পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। এর ফলে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানের আশঙ্কা যেমন বাড়ছে, তেমনি দেশীয় শিল্প ও কৃষিপণ্য উৎপাদনে খরচ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের উচিত জ্বালানি আমদানিতে শুল্ক কমানো এবং সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা। অন্যথায় এই মূল্যবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক