এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের কাছে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে পদকশূন্য থেকেই আসর থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। মহাদেশীয় এই ক্রীড়াযজ্ঞে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য না পাওয়ার বেদনা পুঞ্জীভূত হয়েছে পুরো দলের মধ্যে, যা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সাবেক ক্রিকেটার রুমানা আহমেদের কণ্ঠে। ৩১ রানের ব্যবধানে হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তাঁর কণ্ঠে ঝরে পড়েছে গভীর হতাশা ও তীব্র আক্ষেপ।
রুমানা আহমেদের সেই ফেসবুক পোস্টে ও বক্তব্যে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে দেশের নারী ক্রিকেটের একসময়ের স্বর্ণালী সাফল্যের স্মৃতি এবং বর্তমান কাঠামোগত ও পারফরম্যান্সের করুণ চিত্র। একসময় যারা এশীয় মঞ্চে শক্তিশালী দলগুলোকে কাঁপিয়ে পদক জয় করেছিল, আজ তাদের এমন শূন্য হাতে ফেরা ক্রীড়াঙ্গনে বড় এক ধাক্কা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে নারী ক্রিকেটের কাঠামোগত উন্নয়ন, ঘরোয়া টুর্নামেন্টের নিয়মিত আয়োজন এবং আন্তর্জাতিক সিরিজের ঘাটতির কারণেই এই ভরাডুবি। এশিয়ান গেমসের মতো বড় আসরে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং পেশাদারিত্বের যে প্রয়োজন ছিল, তা মাঠের পারফরম্যান্সে অনুপস্থিত ছিল।
রুমানার এই আক্ষেপ কেবল একটি দলের পরাজয়ের গল্প নয়, এটি পুরো দেশের নারী ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক দূরদর্শী সতর্কবার্তা। ক্রীড়া প্রেমী ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এখনই যদি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থান আরও নিচে নেমে যেতে পারে। তাই দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাগিদ এখন সর্বত্র।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক