আমাদের ছয় ভাই-বোনের মধ্যে পাঁচজনের নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে, কেবল সাবিরের নাম নেই। আমি যদি ভারতীয় নাগরিক হই, তাহলে আমার ছোট ভাই কীভাবে বাংলাদেশি হয়ে যায়? ভারতের ছত্তিশগড়ের রায়পুরে ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্ন তুলেছেন আটক এক যুবক। এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের পরিবারগুলোর নাগরিকত্ব সংকট এবং আইনি জটিলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তাদের দীর্ঘদিনের নথিপত্র এবং পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ভারতে থাকা সত্ত্বেও স্বজনদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে বিদেশি তকমা লাগিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবশ্য নথিপত্র যাচাইয়ের কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। মানবাধিকার কর্মীরা মনে করছেন, যথাযথ আইনি সহায়তা এবং স্বচ্ছ তদন্ত ছাড়া এ ধরনের আটকের ঘটনা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা কেবল একটি পরিবারের নয়, বরং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে থাকা ত্রুটিগুলোকে উন্মোচন করে। বিশেষ করে নাগরিকপঞ্জি বা ডিটেনশন ক্যাম্পের কার্যকারিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিতর্কের মধ্যে এই প্রশ্নটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি অবিলম্বে তাদের ভাই সাবিরের মুক্তির দাবিতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক