হিসাবটা অনুমিতই ছিল, হচ্ছেও তাই। এশিয়ান গেমসের পদকের লড়াই শুরু হতেই চেনা চিত্রটা সামনে এসেছে। একদিকে স্বাগতিক জাপানের প্রথম সোনার উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে চীনের একের পর এক পদক জয়ের খবর। আর নাগোয়ার বিভিন্ন ভেন্যু ঘুরে দিনের শেষ ভাগে বাংলাদেশের জন্য অপেক্ষা করছিল একের পর এক হতাশার খবর।
গতকাল রোববার এশিয়ান গেমসের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নিলেও প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হন। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের এই পারফরম্যান্স দীর্ঘদিন ধরেই হতাশাজনক ধারা বজায় রেখেছে। তবে সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনগুলো দাবি করছে, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাবই এই ফলাফলের মূল কারণ।
বিশেষ করে শুটিং, অ্যাথলেটিক্স এবং সাঁতারের মতো ইভেন্টগুলোতে এশিয়ার পরাশক্তি দেশগুলোর সঙ্গে লড়াই করার মতো প্রস্তুতি আমাদের খেলোয়াড়দের ছিল না। চীনের মতো প্রভাবশালী দেশগুলো যখন একে একে স্বর্ণপদক নিজেদের দখলে নিচ্ছে, তখন বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা প্রথম রাউন্ড থেকেই ছিটকে পড়ছেন।
গণমাধ্যমকে জানান হয়েছে যে, গেমসের বাকি দিনগুলোতেও বাংলাদেশের পদক জয়ের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবে কিছু ইভেন্টে ব্যক্তিগত সেরা পারফরম্যান্স করার তাগিদ রয়েছে ক্রীড়াবিদদের মধ্যে। দিনশেষে নাগোয়ার ভেন্যুগুলো থেকে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের জন্য কেবলই ব্যর্থতা আর দীর্ঘশ্বাস সঙ্গী হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক