সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে এক ব্যতিক্রমী বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সুস্থ, সবল, কর্মক্ষম যুবক টিটু মিয়া ভালোবেসে বিয়ে করেছেন জন্মগত বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী হাওয়া আক্তারকে। তাদের এই ভালোবাসা এবং মানবিক বন্ধন এখন পুরো এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। সমাজের প্রচলিত প্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তাদের এই প্রেমের সম্পর্ক পরিণয়ে রূপ নেয়, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর রেখাপাত করেছে।
মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের টেপিরকোনা গ্রামের আব্দুল গণির পুত্র টিটু মিয়া। জন্মগত বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী হাওয়া আক্তারের সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেম দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ইশারা ভাষার মাধ্যমেই তাদের মনের আদান-প্রদান হতো এবং একে অপরকে ভালোবেসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সমাজের তথাকথিত নিয়মের বাইরে গিয়ে এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।
তবে বিয়ের ৭ মাস পেরিয়ে গেলেও নববধূর ঠাঁই হয়নি তার শ্বশুরবাড়িতে। বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক জটিলতার কারণে এখনও হাওয়া আক্তারকে নিজের বাড়িতে তুলে নিতে পারেননি টিটু মিয়া। এ নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্টরা জানান, এই দম্পতির সুখের সংসার দেখতে চান তারা। যত দ্রুত সম্ভব হাওয়া আক্তার যেন তার স্বামীর সাথে শ্বশুরবাড়িতে সম্মানজনকভাবে বসবাস করতে পারেন, সেই দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুধীসমাজ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক