ভয়াবহ বন্যায় ১১৩০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর পর ভারত, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে নেপাল। হিমালয়কন্যা খ্যাত এই দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল আন্তর্জাতিক এই সহায়তাকে করুণা নয়, বরং ঐতিহাসিক নৈতিক দায়বদ্ধতা হিসেবে উল্লেখ করে উন্নত বিশ্ব ও প্রতিবেশী পরাশক্তিগুলোর প্রতি এই জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় নেপালের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশটির সরকার কূটনৈতিক মাধ্যমে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। নেপালী নীতিনির্ধারকদের মতে, কার্বন নিঃসরণে এই দেশগুলোর ঐতিহাসিক ভূমিকা থাকলেও এর খেসারত দিতে হচ্ছে নেপালের মতো উন্নয়নশীল ও অরক্ষিত দেশগুলোকে।
কাঠমান্ডুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে এই ক্ষতিপূরণের অর্থ ব্যবহৃত হবে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান যে, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো বিশ্বনেতৃত্বের অবশ্যপালনীয় কর্তব্য। এই দাবি আদায়ের জন্য নেপাল আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
ডেস্ক রিপোর্ট