শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন

নিজের জন্মস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন খামেনি

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬ ১০:২৩ am

৬ দিনের শোক অনুষ্ঠান শেষে সমাহিত হলেন ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ইরানের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা মাজারের কাছে দাফন করা হয়েছে তার মরদেহ।

এই মাশহাদ শহরেই ১৯৩৯ সালের ১৫ জুলাই জন্মেছিলেন খামেনি। মৃত্যুর পর এই শহরেই শায়িত হলেন তিনি।

খামেনির দাফনের সময় তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু তার মেজো ছেলে এবং ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে সেখানে দেখা যায়নি।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী, কন্যা, নাতি, এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রীও নিহত হন, এবং মোজতবা নিজে হন গুরুতর আহত।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনি। ১৯৮৯ সালে তার মৃত্যুর পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এ পদে আসেন এবং গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই পদেই ছিলেন তিনি। সর্বোচ্চ নেতার পদে আসীন হওয়ার আগে ইরানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন খামেনি।

বৃহস্পতিবার যখন খামেনির মরদেহ একটি ট্রাকে করে মাশহাদের জনাকীর্ণ সড়ক দিয়ে ইমাম রেজার মাজারের দিকে নেওয়া হচ্ছিল, সে সময় ট্রাকের দুই পাশে সাদা পাগড়ি পরা আলেমরা হাঁটছিলেন। কালো পোশাক পরা শোকাহত লাখো মানুষ ইরানের জাতীয় পতাকা, খামেনির ছবি এবং বিপ্লবী স্লোগান–সংবলিত লাল প্ল্যাকার্ড হাতে শোকযাত্রায় অংশ নেন।

শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Twitter
  • Digg
  • Linkedin
  • Reddit
  • Google Plus
  • Pinterest
  • Print
আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD