ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে প্রতিটি মানুষ তার মেধা ও যোগ্যতার পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারবে এবং দেশের উন্নয়নে সমানভাবে অংশীদার হতে পারবে।
সরকারের এই ধারাবাহিক জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের ফলে দেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত উন্নয়নের সুফল পৌঁছাতে শুরু করেছে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বৈষম্যমূলক নীতির কারণে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হলেও, বর্তমান প্রশাসন সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে দেশের শান্তি, সম্প্রীতি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের নীতিনির্ধারক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ মানুষের মতামতের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থায় যে ধরনের দমনপীড়ন চালানো হতো, তা থেকে বেরিয়ে এসে একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। দেশের এই অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে অতীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়ে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সরকারের এই অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি ইতিবাচক ধারা ফিরিয়ে এনেছে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুসহ সকল স্তরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় একটি বৈষম্যহীন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, যা দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় এক মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক