নওগাঁর মান্দায় দলিল লেখক সমিতির মুহুরি পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আট লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক যুবদল নেতা প্রতিকার চেয়ে এবং সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার দলিল লেখক সমিতির মুহুরি পদে লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় যুবদলের পদধারী এক নেতার কাছ থেকে নগদ আট লাখ টাকা নেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি দেওয়া তো দূরের কথা, কিংবা টাকা ফেরত চাওয়ায় তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। এই পরিস্থিতিতে উপায় না পেয়ে ভুক্তভোগী নেতা বাধ্য হয়ে দলীয় ফোরামে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগী জানান, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী এ ধরনের দুর্নীতিবাজ ও প্রতারক নেতৃত্বের কারণে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারিও দেন তিনি।
উল্লেখ্য, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব সবসময় অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে আসছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করা নেতাকর্মীরা আশা করেন, দলের ভেতরকার যেকোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দল নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক