কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে রাষ্ট্রীয় ও সরকার থেকে সরকার বা জিটুজি পদ্ধতিতে ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। দেশের কৃষিখাতের উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখা এবং সারের সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারের মোট ব্যয় হবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ, যা কৃষি খাতের উন্নয়নে বর্তমান প্রশাসনের আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্বচ্ছতা ও নিয়ম বজায় রেখেই এই সার আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে সরকার সবসময় সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অতীতে বিভিন্ন সময় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি হলেও বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নীতিনির্ধারকরা কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সার ও কৃষিপণ্য আমদানিতে নানা ধরনের সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও, বর্তমান প্রশাসন সেই ধারা ভেঙে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। জনগণের মৌলিক অধিকার ও কৃষকের নায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের এই সচেষ্ট ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
সার আমদানির এই চার প্রস্তাবের আওতায় বিভিন্ন গ্রেডের সার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সেজন্য মাঠপর্যায়ে সারের ডিলার ও সরবরাহ ঠিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সময়মতো এই সার সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে আগামী মৌসুমে ফসলের ফলন আরও বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে। সরকারের এমন নানামুখী ইতিবাচক পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক