সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক চিঠি চালাচালি হয়েছে এবং এ বিষয়ে বেশ কিছু বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের অর্থসংকটের বিষয়টি জাতীয় সংসদেও জোরালোভাবে উত্থাপিত হয়েছে। তবুও এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অর্থের কোনো দেখা মিলছে না। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এমনকি পবিত্র ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার মতো উৎসবেও মেলেনি কোনো ধরনের ঈদ বোনাস। নিম্নস্তরের কর্মচারীরা অতিরিক্ত কাজ করলেও তাদের প্রাপ্য ওভারটাইম বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।
ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম সচল রাখতে এবং শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকে জানান। অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলেও নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছিল দেশের বিভিন্ন কল্যাণমূলক খাত। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা অনেক বেশি প্রত্যাশা করেন।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকট দ্রুত নিরসন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। অন্যথায় শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে বকেয়া বরাদ্দ নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক