পটুয়াখালী মডেল মসজিদের সম্মানিত ইমাম ও খতিবসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এই ঘটনার পর আদালতের নির্দেশ ও যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে মামলার বাদী জাহানারা বেগমকে (৬৩) গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।
গত কিছুদিন ধরে এই ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। ঘটনার প্রাথমিক পর্যায়ে একটি পক্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালালেও পুলিশি নিরপেক্ষ তদন্তে আসল সত্য বেরিয়ে আসে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মসজিদের ইমামকে জব্দ করার উদ্দেশ্যে একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় এই কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সমাজে বিভৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সম্মানিত ব্যক্তিদের সামাজিকভাবে হেয় করার চক্রান্তের অংশ হিসেবেই এই মামলা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে গভীর তদন্ত শুরু হয় এবং ঘটনার সত্যতা না মেলায় বাদীকে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ ও সচেতন মহল স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং মিথ্যা মামলা দায়েরকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বর্তমানে পুলিশ এই ঘটনার সাথে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা উদ্ঘাটনের জন্য অধিকতর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। মিথ্যা মামলার শিকার ইমাম ও অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাওয়ার মাধ্যমে নিজেদের সম্মান ফিরে পেয়েছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক