বৃহস্পতিবার সকাল। জাপানের নাগোয়ার আইচি প্রিফেকচুরাল মার্শাল আর্টস হলের ভেতর তখন অন্যরকম এক ব্যস্ততা। আগের দিনের উত্তেজনা নেই, নেই সেমিফাইনালের লড়াইয়ের চাপও। বরং চারপাশে যেন অপেক্ষা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের জন্য। সেই মুহূর্তের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন বাংলাদেশের কৃতি ক্রীড়াবিদ জিন্নাত আক্তার। দীর্ঘ চার দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের জন্য এই আন্তর্জাতিক অর্জন এনে দেওয়ায় ক্রীড়াঙ্গনে বইছে আনন্দের জোয়ার।
হলের ভেতরে ঢুকলেন জিন্নাত। তার চোখে-মুখে ছিল আত্মবিশ্বাসের দীপ্তি এবং দেশের জন্য কিছু করার তৃপ্তি। ক্রীড়া বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অ্যাথলেটদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা এবং সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাংলাদেশের তরুণ অ্যাথলেটরা বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে সাংবাদিকদের জানান সংশ্লিষ্টরা।
এই সাফল্যের ফলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হলো। অতীতে বিভিন্ন সময় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের ক্রীড়াবিদরা তাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন। জিন্নাতের এই ব্রোঞ্জপদক জয় সেই দীর্ঘ লড়াইয়েরই একটি উজ্জ্বল স্বীকৃতি। দেশবাসীর দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়ুক, আর জিন্নাত আক্তার সেই প্রত্যাশা পূরণে এক অনন্য ভূমিকা রাখলেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক