রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

খাগড়াছড়ির অবরোধ কর্মসূচি পুরোপুরি প্রত্যাহার

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫ ৫:১৫ am

খাগড়াছড়িতে এক কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ তুলে চারদিন ধরে যে অবরোধ পালন করা হয়, তা স্থগিতের পর এবার পুরো প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে জুম্ম ছাত্র-জনতা। শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে জুম্ম ছাত্র-জনতার মিডিয়া সেলের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শহিদদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পুণ্যকর্ম সম্পাদন, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি মানবিক সহায়তা প্রদান এবং প্রশাসনের আশ্বাসকে আংশিক বিবেচনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জুম্ম ছাত্র-জনতা বলছে, খাগড়াছড়ি ও গুইমারার সাম্প্রতিক সহিংসতা নিয়ে গত ১ অক্টোবর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক, পুলিশ ও গোয়েন্দা প্রতিনিধিদের সঙ্গে জুম্ম ছাত্র-জনতার দ্বিতীয় দফা আলোচনা হয়। বৈঠকে আমরা স্পষ্টভাবে আমাদের ৮ দফা দাবি, ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার এবং সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি। আলোচনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবিসমূহ বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করা হয় এবং শহিদ পরিবারের প্রতি নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করার বিষয়টি জানানো হয়।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে খাগড়াছড়ির সদর উপজেলায় মারমা জাতিগোষ্ঠীর এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর থেকেই বিক্ষোভ ও উত্তেজনা চলছিল পার্বত্য এ জেলায়। ঘটনার পরদিন সেনাবাহিনীর সহায়তায় এক তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ ওঠা বাকিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে ২৫ সেপ্টেম্বর জেলায় আধাবেলা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ‘জুম্ম ছাত্র-জনতা’।

এরপর ২৭ ভোর ৫টায় ‘জুম্ম-ছাত্র জনতা’র ব্যানারে অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচির কারণে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি, খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরদিন গুইমারায় ১৪৪ ধারা চলার মধ্যেই সহিংসতায় তিন পাহাড়ি নিহত হন। গুইমারায় সংঘটিত ঘটনার তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। টানা চারদিন অবরোধ চলার পর ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে তা ৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করে জুম্ম ছাত্র-জনতা।

শেয়ার করুন

আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD