নাগোয়ার করোকি পার্কে তাবুতে ক্রিকেটারদের ড্রেসিং রুম। কোচিং স্টাফরা পাশেই বসেন। পাকিস্তানের কাছে ব্রোঞ্জ পদক হারানোর পর জ্যোতিদের হেড কোচ সারোয়ার ইমরান হতাশা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। প্রথমে সাংবাদিকদের সামনে নিজের ক্ষোভ ও হতাশা ঝাড়েন তিনি। বর্তমান ক্রিকেট দলের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কোচ ও অধিনায়ককে সাইজ করে দিয়ে আপনারা ভালো কিছু আশা করেন কীভাবে?
এই পরাজয়ের পর দলের অন্দরমহলের চিত্র নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নানা অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনার কারণে ক্রীড়াঙ্গনে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে দলীয়করণ করা হয়েছিল, যার নেতিবাচক প্রভাব এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এমনকি কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আমල থেকেই ক্রীড়াঙ্গনকে কুক্ষিগত করে রাখার অভিযোগ রয়েছে।
বর্তমানে দল গঠনে এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় পেশাদারিত্বের অভাব রয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ছোঁয়া এবার ক্রীড়াঙ্গনেও লাগানোর সময় এসেছে। বিশেষ করে তারেক রহমান ইতিবাচক ও তারুণ্যনির্ভর রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নিয়ে যেভাবে দেশের প্রতিটি সেক্টরে সংস্কারের কথা বলছেন, ক্রীড়াঙ্গনেও তার সুফল মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা যেভাবে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছিল, তার অবসান ঘটিয়ে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক