দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সদস্য ও ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সঙ্গে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের যোগাযোগ সীমিত রাখা হয়েছে। মার্চে সর্বশেষ বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় ছেলে সুলাইমান ও কাসিম খানকে ইমরান খান জানিয়েছিলেন, তার ডান চোখের প্রায় ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়েছে। চিকিৎসার বিষয়ে তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছে এবং দ্রুত সুচিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা এবং তার সুচিকিৎসার দাবিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরা রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এই আন্দোলন ও প্রতিবাদের ঢেউ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কারাবন্দি এই নেতার স্বাস্থ্য নিয়ে সৃষ্ট সংকট বর্তমান সরকারের ওপর বাড়তি রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইমরান খানের দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আন্দোলন ভবিষ্যতে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার পর্যাপ্ত চিকিৎসার দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সামগ্রিক এই ঘটনাপ্রবাহ পাকিস্তানের বর্তমান রাজনীতিতে একটি বড় মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক