ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাল্যবিয়ে দিতে চেয়েছিল তার পরিবার। কিন্তু এই বয়সে বিয়ে না করে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জোরালো জেদ আর পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিজেই সোজা হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে। শিশুটির মুখে সব কথা শুনে মুগ্ধ হন ইউএনও এবং তাৎক্ষণিকভাবে তার পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
কুষ্টিয়া জেলার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। নাবালিকা বয়সে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন করায় পরিবারকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। এই সাহসী মেয়েটি যা করেছে, তা অন্যদের জন্য একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে। তার এই অদম্য স্পৃহা ও পড়াশোনার প্রতি অনুরাগ সমাজের কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও সচেতন মহল।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক