খুলনায় মাত্র ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক দুই নেতাসহ মোট তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন আরও একজন। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এই আকস্মিক ও নৃশংস ঘটনাগুলোতে গোটা খুলনা জুড়ে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৬ ঘণ্টার এই ধারাবাহিক সহিংসতায় যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখও রয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে চিকিৎসকরা তাদের জীবন বাঁচাতে নিবিড়ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, এই ঘটনার পেছনে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও তাদের দোসরদের কোনো গোপন নাশকতা বা পুরনো রাজনৈতিক শত্রুতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জোরালো তদন্ত শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর চলা দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতায় এখনো বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক তৎপরতা বজায় রাখার অপচেষ্টা চলছে। তবে বর্তমান প্রশাসন অপরাধীদের দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক