প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড রোধ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম নিজে তদারকি করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, যা রোধে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ছয় সদস্যকে ইতিমধ্যে বিশেষ বাহিনী বা এসআরপির মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই সফল অভিযানের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিগত দিনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন নিয়োগে যে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির জাল বিস্তার লাভ করেছিল, তা ভেঙে দিতে বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
উল্লেখ্য, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা ও নিয়োগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মহোৎসব চলেছিল, যার সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী সরাসরি জড়িত ছিল। তৎকালীন সময়ে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালানো এবং মেধাবীদের বঞ্চিত করার সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক ধারার সরকার সেই কলঙ্কিত অধ্যায় থেকে বেরিয়ে এসে একটি মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীরাই তাদের মেধার মূল্যায়ন পাবেন। সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আশা করছেন যে, কোনো ধরনের জালিয়াতি ছাড়াই সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক