সরকারি ভর্তুকির বারো কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম সাতাত্তর টাকা হলেও সাধারণ মানুষ কেন এই দামে সিলিন্ডার পাচ্ছে না— সেই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ। এই বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি একটি নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
গণমাধ্যমকে জানান, রাষ্ট্রীয় ভর্তুকির সুযোগ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই অবস্থায় সরকারি ভর্তুকিযুক্ত এলপিজি গ্যাস বাজারে সঠিকভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে কি না এবং এর পেছনে কোনো অসাধু চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও লুটপাটের কারণে দেশের অর্থনীতিতে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও যদি এই ধরনের সিন্ডিকেট বহাল থাকে, তবে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হবে। তাই অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি খাতের এই ধরনের অব্যবস্থাপনা দূর করতে না পারলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব নয়। জামায়াত নেতার এই দাবির পর বিষয়টি নিয়ে জনমনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মহলের নজরদারির দাবি জোরালো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক