ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ইতোমধ্যে ৪৭ বিলিয়ন ডলারের ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের হাতে আসা নতুন তথ্যানুযায়ী, পেন্টাগনের গত জুলাই মাসের প্রাক্কলিত হিসাবের তুলনায় এই ব্যয় প্রায় ২৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই আকাশচুম্বী সামরিক ব্যয় বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সর্বশেষ প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, এই বিশাল ব্যয়ের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে যুদ্ধে ব্যবহৃত অত্যাধুনিক গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করার প্রক্রিয়া। এর পেছনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ নথি এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানানো হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা এবং মিত্র দেশগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার নামে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত মার্কিন অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রেক্ষাপটে সামরিক খাতে এই ধরনের রেকর্ড ব্যয় ভবিষ্যতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের জন্ম দিতে পারে। পেন্টাগন অবশ্য তাদের এই ব্যয়কে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য অপরিহার্য বলে দাবি করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষকরা এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান এবং কূটনৈতিক আলোচনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক