আসন্ন ঈদুল ফিতরে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে জরুরি বিভাগ ও লেবার রুম, ইমারজেন্সি ওটি, ল্যাব সার্বক্ষণিক চালু রাখাসহ ১৬ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর। নির্দেশনায় জরুরি বিভাগে প্রয়োজনে অতিরিক্ত চিকিৎসক
দেশের বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচিত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নিশ্চায়ন আগামী ১৯ মার্চের মধ্যে করতে হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের
অবকাঠামো, জনবল ও গবেষণাগারের অভাব থাকায় সরকার বন্ধ করে দিতে পারে দেশের ছয় মেডিকেল কলেজ। স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আর বন্ধ করে দেওয়া
দেশের প্রায় ২০ লাখ মানুষ চোখের রোগ গ্লুকোমা সমস্যায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। ৪০ বছর বয়সের পর থেকে গ্লুকোমায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে রোগটি নিয়ে সচেতনতার
সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে আজ (১৫ মার্চ)। ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ। তবে অসুস্থ শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো
দেশের সকল শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আগামী ১৫ মার্চ ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। ফলে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের নিকটস্থ স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র থেকে ভিটামিন এ
১২ সপ্তাহের জন্য কর্মবিরতি স্থগিত করেছে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরাম। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুর রহমানের আশ্বাসে তারা কর্মবিরতি স্থগিত করেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার ঢাকা
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামসহ (এনডিএফ) বৈষম্যবিরোধী চিকিৎসকদের দাবির মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। স্বাস্থ্য উপদেষ্টার নিকট পদত্যাগপত্র
ল্যাবরেটরি ও রেডিওলজি রিপোর্টে স্বাক্ষরের অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টরা। তাদের দাবি, ডাক্তার, বায়োকেমিস্ট ও টেকনোলজিস্টদের হাত ধরে দেশের ডায়াগনোস্টিক সেবা এগিয়ে যাচ্ছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তৈরি স্বাস্থ্যসেবা
গত ১২ বছর ধরে বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কার্যক্রমের আওতা বাড়েনি। এই সময়ে টিকা কাভারেজের (টিকা প্রাপ্তি) হার ৮৪ শতাংশ। অর্থাৎ ১২ বছর ধরে ১৬ শতাংশ শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত