দুই মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে তুরস্কের ইস্তাম্বুল বহু শতাব্দী ধরেই বৈশ্বিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, একসময় সিল্ক রোড এবং কৃষ্ণসাগর থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত নৌপথ নিয়ন্ত্রণের কারণে বাইজেন্টিয়াম ও পরবর্তীতে কনস্টান্টিনোপল হিসেবে এই ঐতিহাসিক শহরটির কৌশলগত ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। সময়ের বিবর্তনে রেলপথের যুগে বিখ্যাত ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসের মাধ্যমেও এই শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থার মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হয়েছিল।
আধুনিক যুগে এসে ঐতিহ্যবাহী সেই যোগাযোগেন্দ্রিক খ্যাতির মুকুট আরও উজ্জ্বল হলো। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন খাতের সর্বশেষ মূল্যায়নে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর। বৈশ্বিক বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞদের মতে, অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা, যাত্রীসেবার মান এবং বিশাল অবকাঠামোগত সক্ষমতার কারণে এটি এখন বিশ্বের সেরা বিমানবন্দর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা, এই অর্জন তুরস্কের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তি ও পর্যটন খাতের অগ্রযাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান যে, ভবিষ্যতে যাত্রী সংখ্যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, যা বৈশ্বিক এভিয়েশন শিল্পে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক