স্প্রিন্টের শুরুটা দারুণ হয়েছিল বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমানের। প্রায় ৮০ মিটার পর্যন্ত যে গতিতে দৌড়াচ্ছিলেন তাতে ছয়জনের মধ্যে তৃতীয় হওয়াটা প্রায় নিশ্চিত ছিল তার। কিন্তু ট্র্যাকের শেষের ২০ মিটারে এসে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেন ইমরানুর রহমান। খানিকটা টলে গেলেন এবং নিজের শরীরের ভারসাম্য বা ব্যালেন্স হারিয়ে ফেললেন। এমন একটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতেও তিনি হাল ছাড়েননি এবং তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্রীড়া আসরে দেশের নাম উজ্জ্বল করা ইমরানুর রহমানের এই পারফরম্যান্স নিয়ে ক্রীড়া বিশ্লেষকরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। প্রতিযোগিতা চলাকালীন ট্র্যাকের শেষ মুহূর্তে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রায়ই অ্যাথলেটদের ফলাফলে প্রভাব ফেলে। তবে সার্বিক হিট এবং সেরা অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্সের হিসেবে শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে নিজের জায়গা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
দেশের অ্যাথলেটিক্স অঙ্গনে ইমরানুর রহমানের এই অর্জন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে তিনি আরও ভালো করবেন এবং দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবেন এমন প্রত্যাশাই এখন ক্রীড়াপ্রেমীদের।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক