বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬ ৮:০৩ pm

ডাক বিভাগের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস বা পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতোমধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই তথ্য জানান।

এ সময় মন্ত্রী সংসদে আরও জানান, দেশের ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতকে বড় পরিসরে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বুকিং, সর্টিং, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সংসদে ডাক বিভাগের সেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, জনসাধারণের সুবিধার্থে সরকারি ডাক সেবার গতি বৃদ্ধি এবং কার্যক্রম সম্প্রসারণের আওতায় বর্তমানে ভূমির ডকুমেন্টস হোম ডেলিভারি, পাসপোর্ট বাল্ক ডেলিভারি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হোম ডেলিভারি কার্যক্রম সফলভাবে চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ই-কমার্স পণ্যের ক্যাশ অন ডেলিভারি সেবা চালুর বিষয়টিও এখন প্রক্রিয়াধীন আছে।

এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক কার্যক্রমের আওতায় ভিডিও মামলা ও ট্রাফিক নোটিশ সংশ্লিষ্ট প্রাপকের ঠিকানায় ডাকযোগে সফলভাবে পাঠানো হচ্ছে।

ডিজিটাল সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ডিএমএস বা ডমিস্টিক মেইল মনিটরিং সিস্টেম সফটওয়্যারের মাধ্যমে এখন পণ্যের অনলাইন ভিত্তিক রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং ও ট্রেসিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সারা দেশে সবচেয়ে কম মূল্যে চিঠি ও পার্সেল বিলি এবং ইএমএস বা এক্সপ্রেস মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে সাশ্রয়ী মাশুলে পার্সেল প্রেরণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন ফল উৎপাদনকারী অঞ্চল থেকে সবচেয়ে কম খরচে, নিরাপদে ও দ্রুততম সময়ে মৌসুমি ফল পরিবহনের কাজও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে করা হচ্ছে। চলমান এই পরিকল্পনাগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ডাক বিভাগের সেবা দেশের মানুষের জন্য আরো বেশি কার্যকরী ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠবে।

এদিকে একই দিনে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মহিলা আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশের মোবাইল গ্রাহকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে সক্রিয় ও বৈধ মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংখ্যা ৪টি।

কোম্পানিগুলো হলো- যথাক্রমে সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বেসরকারি তিন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

মন্ত্রী সংসদে নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে এই ৪টি মোবাইল কোম্পানির অধীনে দেশজুড়ে মোট বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮২ লক্ষে।

শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Twitter
  • Digg
  • Linkedin
  • Reddit
  • Google Plus
  • Pinterest
  • Print
আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD