বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন

নিপুণের পেছনে বড় শক্তি আছে : ডিপজল

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ মে, ২০২৪ ১০:০২ am

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচণে সাধারণ সম্পাদকে পদে চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তাদের দু’জনের জয়-পরাজয়ের মাঝে ভোটের ব্যবধান ছিল ১৬।

নির্বাচনের পরপরই ডিপজলকে ফুলের মালা গলায় পড়িয়ে বরণ করে নেন পরাজিত প্রার্থী নিপুণ। তবে মাস ঘুরতেই সুর পাল্টে গেল অভিনেত্রীর। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ করে আদালতে রিট দায়ের করেছেন এই তারকা।

নিপুণের সেই রিটের প্রেক্ষিতে সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদটিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত। ফলে আপাতত ডিপজল এ পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। সোমবার (২০ মে) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির ঘটনা তদন্তের জন্য সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের আদেশের পর বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তিনি মনে করেন, চিত্রনায়িকা নিপুণের পেছনে বড় শক্তি আছে। যে কারণে বারবার এমনটা করতে পারছেন তিনি।

ডিপজল বলেন, ‘আমি বরাবরই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। হাইকোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছেন এখানে কিছু বলার নাই। তবে বিষয়টি নিয়ে আমাদের কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে দুই এক দিনের মধ্যে আমারা চেম্বার জজ আদালতে যাব।’

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ফুলের মালা দিয়ে নতুন কমিটিকে বরণ করে নেওয়ার একমাস পর আবার কমিটি বাতিল চাওয়ার পেছনে বড় শক্তি আছে বলে মনে করেন ডিপজল। তার কথায়, ‘এটার পেছনে অবশ্যই বড় শক্তি আছে। যেহেতু দেশের বাইরে থেকে সে (নিপুণ) এসব করছে সেহেতু বুঝতে হবে তার পেছনের হাত লম্বা।’

এদিকে নিপুণের আচরণে কষ্ট পেয়েছেন সিনিয়র শিল্পীরাও। এমনটাই জানালেন ডিপজল। তিনি বলেন, ‘সোহেল রানা ভাইসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র শিল্পীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারও বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত। এই দুই বছরে যে নোংরামি হয়েছে এর আগে এমন নজির নেই। বাংলাদেশের ফিল্মের মানুষ এমনটা করতে পারেন না। আমার মনে হয়, যারা হিন্দি ছবি বাংলাদেশে আনার জন্য পায়তারা করছে এটা তারই একটা অংশ হতে পারে।’

এর আগে ২০২২-২৪ সালের নির্বাচনেও সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে মামলা চলে উচ্চ আদালতে। পরে আদালতের হস্তক্ষেপে দায়িত্ব পালন করেন নিপুণ।

তখন প্রাথমিক ফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তবে টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগে আপিল বোর্ড জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করে এবং নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী ঘোষণা করেন।

ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জায়েদ খান হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিপুণ সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

শেয়ার করুন

আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD